পটলের স্বাস্থ্য উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ
পটল একটি গ্রীষ্মকালিন সবজি, গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে অন্যান্য সবজির উৎপাদন কমে যায়, যার কারণে গ্রীষ্মকালে অন্যান্য সবজির থেকে পটলের চাহিদা অনেকটা বৃদ্ধি পায়।
উৎপাদন
পটলের উৎপাদনমাত্রা ভালো, আর্দ্র আবহাওয়ায় ভাল জম্মায়, পটলের ফসল ৪৫ থেকে ৫০ দিনের মধ্যে পাওয়া যায়, ০৩ থেকে ০৪ দিন পরপর পটল তোলা যায়। পটল লম্বায় ০৫-১৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
পটলের বিভিন্ন রান্না
পটলের পুষ্টিগুণ
স্বাস্থ্য উপকারিতা
ব্লাড সুগার ও কোলেস্টেরল
পটলের বিচি কোলেস্টেরল ও ব্লাড সুগারের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে, পাশাপাশি হার্টের শক্তি যোগাতে সহায়তা করে। আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় জ্বর, সর্দি-কাশি ও গলা ব্যাথা নিরাময়ে পটল খেতে বলা হয়।
কোষ্ঠকাঠিন্য
পটলের বিচিগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য কমিয়ে দেয় এবং মল নির্গমনে সহায়তা করে।
রক্ত পরিষ্কার
পটল রক্ত পরিশোধিত করে, পটলে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ও আ্যন্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় ত্বক ভালো থাকে এবং ত্বকের সংক্রমণ নিরাময়ে কাজ করে।
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা
বেশি পরিমাণে তেল-জাতীয় খাবার খাওয়া,খাবারের অনিয়ম, অস্বাস্থকর খাবার খাওয়ায় বর্তমানে ঘরে ঘরে গ্যাস্ট্রিক। অল্প পরিমাণ তেলে ও মসলায় পটল ঝোল খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানে পটল কার্যকরী ভূমিকা রাখে। পটল ক্ষুদা কমাতে ও পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
ওজন কমাতে পটল
পটলে ক্যালরি কম থাকায় নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন, পটল শরীরের ওজন কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।





বেশ উপকারী
ReplyDelete